পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রথম আলো রিপোর্ট- ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ টিকা প্রস্তুত হত দেশে। সেগুলোর উৎপাদন শুরু ও শেষ হবার বছর উল্লেখ করেছে৷ ছবি অনুযায়ী কলেরা, টাইফয়েড ও কলেরা-টাইফয়েড টিকা উৎপাদন বন্ধ হয় ১৯৯৭ লীগ আমলে। টিটেনাস ও ডিপথোরিয়া দুটি টিকার উৎপাদন শুরু হয় ১৯৭৮ অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে।

ছবি

দশকোটি টাকা প্রণোদনা দেয়া তামাশা — গণফোরাম

কোভিড-১৯ মহামারিতে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে গেছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশ সরকার করোনা নিয়ে মিথ্যাচার করে দেশের মানুষকে ভয়াবাহ পরিস্থিতির মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার গণফোরামের জ্যেষ্ঠ তিন নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী নেতারা হলেন-দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এবং গণফোরামের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী। করোনায় সরকার ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনার সমালোচনা করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লকডাউনের নামে নিম্নবিত্তদের জীবন দুর্বিষহ করে ফেলছে সরকার। বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা দেয়া তামাশার শামিল। কারণ এই দেশের বহু সংখ্যক লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। গত বছরে সরকারের দেয়া প্রণোদনার ১০ হাজার কোটি টাকার সিংহ ভাগ চলে গিয়েছিল বর্তমান সরকারের নেতা কর্মীদের পেটে। সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় নাই। এভাবে দেশের নিম্নবিত্ত মানুষদের কষ্ট দিয়ে, তাদের জন্য ত্রাণের যথাযথ ব্যবস্থা করে লকডাউন কার্যকর না করলে তাদের কখনোই ঘরে আটকে রাখা যাবে না...